ভারত সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। নদীর বাঁধ ভেঙে ও উপচে পড়া পানিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। একই সঙ্গে বোরো ধানসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল থেকে ঢলের পানি দ্রুত লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপজেলার গাজীরভিটা ইউনিয়ন।
স্থানীয়রা জানান, মেনংচরি ও বোরাঘাট নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধ উপচে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে কালিয়ানি কান্দা, বোয়ালমারা, ভুবনকুড়া ও গাজীরভিটাসহ অন্তত ছয়টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া পৌর শহরের নিম্নাঞ্চলেও পানি প্রবেশ করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে একটানা ভারী বৃষ্টি হচ্ছিল। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদ-নদীর পানিও দ্রুত বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে নদীর বাঁধ উপচে এবং ভাঙা অংশ দিয়ে ঢলের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেই দেখেন বাড়ির উঠান ও ঘরে পানি ঢুকে গেছে। পরে তারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।
হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে কালিয়ানি কান্দা ও বোয়ালমারা এলাকায় পানিপ্রবাহ বেশি হওয়ায় অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।
কৃষকরাও চরম দুশ্চিন্তায় সময় পার করছেন। তারা বলছেন, চলতি মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে জমির পাকা ধান ও অন্যান্য ফসল তলিয়ে যাওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। দ্রুত ভাঙা বাঁধ মেরামত এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে। একই সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আ. রশিদ বলেন, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বোরাঘাট নদীসহ আশপাশের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। একপর্যায়ে বাঁধ উপচে ও ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে নিম্নাঞ্চলের বাড়িঘর ও ফসলের খেতে পানি উঠে যায়। অনেক পরিবারের ঘরে পানি ওঠায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
আরেক বাসিন্দা রেজাউল আলম বলেন, গত কয়েক ঘণ্টার টানা ঢলে পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ জানান, গাজীরভিটা ও ভুবনকুড়া এলাকার দুটি পয়েন্ট দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে এবং দুটি কাঁচা রাস্তা ভেঙে গেছে।
তিনি বলেন, পাহাড়ি ঢলের পানির গতি ও প্রবাহ আমরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেও এখনো সরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা শুরু হয়নি। দ্রুত ভাঙা বাঁধ মেরামত এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

উকুন মারার তেলের তীব্র গন্ধে স্কুলের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৭:৫২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের মুলাডুলি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্রেণিকক্ষে উকুন মারা বিষের বোতল ভেঙে বিষক্রিয়ার ঘটনায় তারা অসুস্থ হতে পারে।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরের পর বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে ধীরে ধীরে আরও শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হতে শুরু করে। একপর্যায়ে বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই বিষয়টি শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, ঈশ্বরদী থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকর্মীরা অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ ছাড়াও অনেক অভিভাবক নিজ উদ্যোগে তাদের সন্তানদের বিভিন্ন যানবাহনে করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল এবং ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব।
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোহাম্মাদ শোয়াইব জানান, দুপুরের দিকে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে একটি বিষের বোতল ভেঙে গেলে প্রথমে দুই জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে, দেখে আতঙ্ক ও বিষের তীব্র গন্ধে একে একে প্রায় ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে ।বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে গেছে।আস্তে আস্তে অনেক শিক্ষার্থী সুস্থ হচ্ছেন ।
চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষক্রিয়ার কারণে ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে আসে। এ ছাড়া আতঙ্ক ও প্যানিক অ্যাটাকের কারণেও কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী সুস্থ বোধ করায় অভিভাবকরা তাদের বাড়ি নিয়ে গেছেন।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান জানান, হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে কেউ অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল, আবার কেউ শ্বাসকষ্টে ভুগছিল। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।

পশুর হাটে এবার চমক ‘সুলতান’ নামের উট
- ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকায় একটি এগ্রো ফার্মে এবার কোরবানির পশুর হাটে যোগ হয়েছে ভিন্ন এক আকর্ষণ, বিশাল আকৃতির উট ‘সুলতান’।
প্রায় দুই মাস আগে রাজস্থান থেকে আনা এই উটটি খামারি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদের উদ্যোগে বর্তমানে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যতিক্রমী এই সংযোজন ইতোমধ্যেই কুমিল্লাজুড়ে সৃষ্টি করেছে ব্যাপক কৌতূহল।
প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন উট ‘সুলতান’কে একনজর দেখতে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে উৎসাহ ও আগ্রহ।
উটের দেখভালকারী শ্রমিকরা জানান, গরুর তুলনায় উট পালন সহজ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উট সাধারণত গরুর মতোই খাবার খায় এবং এর পরিচর্যায়ও কম কষ্ট হয়।
খামারি ব্যবসায়ী জুয়েল আহমেদ বলেন, ভিন্ন কিছু করার চিন্তা থেকেই রাজস্থান থেকে উটটি আনা হয়েছে। ভবিষ্যতে উট পালন দেশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে বিশ্বাস করি।
স্থানীয়দের মতে, কুমিল্লার পশুর হাটে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন আগে খুব কমই দেখা গেছে। ফলে ‘সুলতান’ এখন হাটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।

সান মারিনো ম্যাচে বাংলাদেশ দলে থাকছে বড় চমক
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
আগামী জুনে সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আজ বুধবার ভিসার জন্য আবেদন করা ফুটবলারদের মধ্যে ছিলেন গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো, যা তার জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।
এক সময় জাতীয় দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য গোলকিপার ছিলেন জিকো। ২০২৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে তিনি টুর্নামেন্টসেরা গোলকিপারের স্বীকৃতি পান। তবে শৃঙ্খলাজনিত কিছু ইস্যু এবং সাবেক কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ায় জাতীয় দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন তিনি।
চলতি মৌসুমে বসুন্ধরা কিংসর হয়ে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্স করলেও প্রথমে সান মারিনো সফরের পরিকল্পনায় ছিলেন না জিকো। তাকে রাখা হয়েছিল মালদ্বীপে অনুষ্ঠিতব্য চার জাতি টুর্নামেন্টের দলে। তবে শেষ পর্যন্ত বাফুফে সান মারিনো সফরের জন্যও তার ভিসা করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অধিনায়ক জামাল ভূইয়া, হামজা চৌধুরি ও শমিত সোমের বিদেশি পাসপোর্ট থাকায় তাদের আলাদা ভিসার প্রয়োজন হচ্ছে না। অন্যদিকে তপু বর্মণ, রাকিব হোসেন, মিতুল মারমা, শেখ মোরসালিনসহ আরও কয়েকজন ফুটবলার ভিসার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েছেন।
নতুন কোচ নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় আপাতত স্থানীয় কোচদের তত্ত্বাবধানে দুটি দলের প্রস্তুতি চলছে। সান মারিনো সফরের চূড়ান্ত দল শিগগিরই ঘোষণা করবে বাফুফে।

দুইদিনের সফরে সিরাজগঞ্জে আসছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু
- নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
দুইদিনের সরকারি সফরে সিরাজগঞ্জে আসছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
বুধবার (১৩ মে) মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মিয়া মোহাম্মদ কেয়াম উদ্দিন স্বাক্ষরিত সফরসূচিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ওই সফরসূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জে নিজ বাসভবনে এসে পৌঁছবেন। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ১০টায় শহীদ শামসুদ্দিন স্টেডিয়ামে আয়োজিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্ণামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন। এদিন সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজে অভিভাবক সমাবেশ ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
দুপুরে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় ও মসজিদ অজুখানার দ্বিতীয় তলা নির্মাণকাজের উদ্বোধন ও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দলীয় কার্যালয়ে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টায় মুক্তির সোপান এলাকায় বৈচিত্রের ঐক্য ও সংস্কৃতির মিলনমেলার বর্ণাঢ্য র্যালীর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। সকাল ১১টায় সদর উপজেলা অডিটোরিয়াম উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়, বেলা আড়াইটায় কাওয়াকোলা ইউনিয়নের উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এইদিন সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে সিরাজগঞ্জ ত্যাগ করবেন।

বিতর্কের মুখে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল
- বিনোদন ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
অবশেষে বিতর্কিত সিনেমা ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারজ’র সেন্সর বাতিল হলো। সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন অভিনেতা ও নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সেন্সর সনদ হাতে পেয়ে ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে এটি মুক্তির ঘোষণা দিয়েছিলেন নির্মাতা। সে লক্ষ্যেই পোস্টার ও ট্রেলারও প্রকাশ করা হয়। যেখানে দেখা যায় চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে। আর তাতেই বাধে বিপত্তি। অভিযোগ তুলেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী।
তিনি জানান, এ ধরনের কোনো সিনেমায় তিনি অভিনয় করেননি। বিষয়টি নিয়ে এক ফেসবুক লাইভে নায়িকার স্বামী ওমর সানীও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এমনকি সিনেমাটির মুক্তি স্থগিত করার দাবিও তুলেন। শুধু মৌসুমী নয়, অভিযোগ করেন ছোট পর্দার আরেক অভিনেত্রী জেবা জান্নাত।
তার দাবি, নাটকের কথা বলে অভিনয় করিয়ে সেসব দৃশ্য সিনেমার ব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি তার অনুমতি ব্যতীত পোস্টারে ছবিও ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেবা জান্নাত নাটক ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনে লিখিত অভিযোগও জানান। এমনকি সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশনও দায়ের করেন।
অবশেষে জেবা জান্নাতের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর বাতিল হলো। অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি। তিনি জানান, সিনেমার একজন সহঅভিনেত্রীর অভিযোগই ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর বাতিল করা হয়েছে।
মাসুমা রহমান তানি বলেন, ‘আমরা চলচ্চিত্রটির সেন্সর দিয়েছিলাম। তখন এটির বিরুদ্ধে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে জেবা জান্নাত নামে প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত একজন লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে জেবা ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ একটি নাটক বলে তার সঙ্গে চুক্তি করা হয় বলে জানান।
পরে সিনেমা হিসেবে মুক্তি দেওয়ার পরকিল্পনা করলে তিনি আমাদের কাছে অভিযোগ করেন। তার সঙ্গে নাটকের চুক্তি হয়েছে, সিনেমার বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি। সে জন্যই আমরা এর মুক্তির অনুমতি বাতিল করেছি।’
এদিকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। সেখানেই হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে একটি নাটকে কাজ করেছিলেন তিনি।
এ সিনেমা প্রসঙ্গে মৌসুমী এক অডিও বার্তায় বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে এসে একটি মেয়ের স্ট্রাগল টাইমের ছোট গল্প নিয়ে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নির্মাণের কথা ছিল। হাসান জাহাঙ্গীর আমাকে অনেক অনুরোধ করার পর আমি রাজি হয়েছি। শুরুতে এটা এক ঘণ্টার একটি নাটক ছিল। দুই দিনে শুটিং শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তিন দিন লেগে যায়।
কিছুদিন পর নির্মাতা এসে বলেন, এটার শুটিং তো বেশি হয়েছে, আমরা টেলিফিল্ম হিসেবে প্রচার করতে চাই। তাতেও আমি রাজি হয়ে কাজটি শেষ করেছি। কিন্তু খবরে দেখছি, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নাকি সিনেমা হিসেবে আসছে। বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছি।’
এদিকে সেন্সর বাতিলের বিষয়টি জানতে পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

পরিত্যক্ত রেল লেনকে সড়কপথে রূপ দিচ্ছে যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ
- ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:০৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
যমুনা সেতুর পরিত্যক্ত রেল লেনকে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করতে এবং সেতুর মূল অবকাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বড় ধরনের সংস্কার কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং চীনের সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি’র মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন সেখ।
সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি’র পক্ষে ওয়াং বিনকোয়িং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় সেতু বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, ‘দ্রুততম সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে এই সংস্কার কাজ শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। দেশের উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের সাথে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম যমুনা সেতুর আধুনিকায়ন ও দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’
তিনি আরও জানান, যমুনা সেতুতে যাতায়াতের রাস্তা বর্তমানে ৩.৫ মিটার প্রশস্ত করা হবে। বিশেষ করে রেল সংযোগ পৃথক হওয়ার পর থেকে অব্যবহৃত থাকা রেল লেনটিকে সংস্কার করে সাধারণ যান চলাচলের উপযোগী করা হবে। এতে সেতুর ওপর যানবাহনের ধারণক্ষমতা বাড়বে এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মূল কাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
এই সংস্কার কাজ শেষ হলে উত্তরাঞ্চলের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও নির্বিঘ্ন হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
এছাড়াও, অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভি’র উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাফুফের পরিকল্পনায় নতুন মোড়, কোচের পদত্যাগে ইঙ্গিত
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৫০:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ কে হবেন, এ নিয়ে জল্পনাকল্পনার শেষ নেই। তবে হুট করেই দৃশ্যপটে এল নতুন মোড়। গায়ানা জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে আকস্মিক পদত্যাগ করেছেন বাফুফের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা টমাস ডুলি। এই পদত্যাগ ঘিরেই জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে—তবে কি হাভিয়ের কাবরেরার উত্তরসূরি হিসেবে বাংলাদেশের ডাগআউটে দেখা যাবে এই হাই-প্রোফাইল জার্মান-মার্কিন কোচকে?
বাফুফে এরই মধ্যে নতুন কোচের জন্য ১১ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা (শর্টলিস্ট) চূড়ান্ত করেছে এবং আগামী ১৫ মে নতুন কোচের নাম ঘোষণা করার কথা রয়েছে। ঠিক তিন দিন আগে ১২ মে ডুলির পদত্যাগ করার বিষয়টি কোনো সাধারণ কাকতালীয় ঘটনা হতে পারে না। ৯ মাস গায়ানার দায়িত্বে থেকে অপরাজিত রেকর্ড গড়ার পরও ‘নতুন চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণের কারণ দেখিয়ে তার বিদায় নেওয়া ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বাংলাদেশের প্রস্তাবটি হয়তো তাঁর কাছে এখন অনেক বেশি বাস্তবসম্মত।
৬৪ বছর বয়সী ডুলি খেলোয়াড় হিসেবে যেমন বুন্দেসলিগা ও উয়েফা কাপ জয়ী। কোচ হিসেবেও তার প্রোফাইল বেশ ভারী। ছিলেন জার্মান কিংবদন্তি ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের সহকারীও। বিশেষ করে ফিলিপাইন জাতীয় দলকে সাফল্য এনে দেওয়া এবং প্রথমবার এশিয়ান কাপের মূল পর্বে কোয়ালিফাই করানোর অভিজ্ঞতা তাকে বাফুফের তালিকার শীর্ষে রাখার বড় কারণ হতে পারে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বর্তমানে এমন একজন অভিজ্ঞ কোচ খুঁজছে যিনি এশিয়ান ফুটবল সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন।
তবে ডুলির কোচিং ক্যারিয়ারে শৃঙ্খলার বিষয়টি যেমন প্রশংসিত, তেমনি গায়ানায় স্থানীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব কিছুটা বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছিল। বাফুফের শর্টলিস্টে থাকা অন্য ১০ জন প্রার্থীর নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও, ডুলির পদত্যাগের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন শুধুই তিনি।
টমাস ডুলিই কি তবে বাংলাদেশের পরবর্তী হেড কোচ হতে যাচ্ছেন? নাকি শেষ মুহূর্তে আসবে অন্য কোনো চমক। বাফুফের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম হিলটন বলেছেন, ‘টমাস ডুলি আমাদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন। এখন কোচ নিয়োগের বিষয়টি পুরোপুরি সভাপতি নিজেই দেখছেন। তিনি ১৫ মে ঘোষণা দেবেন বলে জানি।’

গাঁজাসেবন ছাড়া নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী হওয়া যায় না: রাশেদ খাঁন
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
‘গাঁজাসেবন না করলে নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী হওয়া যায় না’—বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। এছাড়াও ‘একজন লোক শিবির থেকে বাম হয় কীভাবে’—এমন প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ৯টা ৪৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন লিখেন, ‘গাঁজাসেবন না করলে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী হওয়া যায় না। অতীতে সে জামায়াতে ইসলামীকে গালিগালাজ করেছে। এখন জামায়াতের সাথে মিতালি করে বিএনপিকে গালিগালাজ করছে।
তিনি লিখেন, ‘নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী জামায়াতে ইসলামীকে বলেছে, (১) জামায়াতে ইসলামী ভারতের এক্সটেনশন, (২) সংস্কারের নামে ভণ্ডামি করছে, (৩) মুনাফেকের দল, (৪) ধর্মের নামে চেতনার ব্যবসা করছে, (৫) জামায়াতের মুখে এক অন্তরে আরেক, (৬) জামায়াতের রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। তাদের রাজনৈতিক দর্শন ও অতীত আচরণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মানচিত্র ও জাতীয় চেতনার পরিপন্থী ইত্যাদি!’
একটা দল সম্পর্কে এতকিছু বলার পরে আবার সেই দল থেকে নির্বাচন করা একমাত্র ‘গাঁজাসেবন’ করলেই সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লিখেন, ‘আমি এনসিপিকে বলবো, দ্রুত তার ডোপ টেস্ট ও চিকিৎসা করুন। অন্যথায় তার শরীরে প্রতিদিন যে পরিমাণ নিকোটিন ঢুকছে, আর এর প্রতিক্রিয়ায় আবোলতাবোল বকছে.. না জানি আবার জামায়াতে যোগদান করে এনসিপিকে নিয়ে কি বলা শুরু করে যে, এনসিপি জাতির সাথে গাদ্দারি করা শুরু করেছে…! জামায়াতে ইসলামী পারেও বটে!’
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ‘তাদের রাজনীতিকে নিয়ে একেরপর এক প্রশ্ন তোলা নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীই আজকাল তাদের আইডল। কারণ সে এখন রুপ বদলে ফেলে জামায়াতপন্থী হয়েছে! পডকাস্টে বলেও বেড়াচ্ছে, সে নাকি শিবিরের সাথী ছিলো! অথচ ক্যাম্পাসে দেখেছি, সে বাম করে….! একজন লোক শিবির থেকে বাম হয় কিভাবে?’

হামে শিশু মৃত্যু: ড. ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বিচার দাবি
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:৩২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
হামে শিশু মৃত্যুর জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে আইনজীবীরা।
বুধবার (১৩ মে) বিকেলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ আইনজীবী ব্যানারে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের একাংশ এতে অংশগ্রহণ করেন। এসময় আওয়ামীপন্থী আইনজীবী মো. কায়েস আহমেদ অর্নব, সিফাত আমিনুল করিম, গোলাম রাব্বানি, রাসেল আহমেদ, ফারজানা ইয়াসমিন রাখিসহ শতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।
এসময় আইনজীবীরা সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিচার দাবি করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইউনিসেফের পক্ষ থেকে সতর্ক করা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকার টিকার প্রচলিত সংগ্রহ পদ্ধতি পরিবর্তন করে ‘উন্মুক্ত দরপত্র’ (ওপেন টেন্ডার) পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিসেফের অনুরোধ উপেক্ষা করার ফলে দেশে হামের টিকার তীব্র সংকট দেখা দেয়।
বক্তাদের দাবি, সঠিক সময়ে টিকা না পাওয়ায় ৪০০’র বেশি শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।
আয়োজকদের পক্ষে কায়েস আহমেদ অর্ণব নামে এক আইনজীবী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও নূরজাহান বেগমকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। শুধু হাম নয়, অন্যান্য টিকার ক্ষেত্রেও এই সরকারের চরম গাফিলতি ছিল। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
মানববন্ধনে আইনজীবী সিলফাত আমিনুল করিম অভিযোগ করে বলেন, তৎকালীন সরকার আগের চুক্তিগুলো বাতিল করলেও কোনো বিকল্প ব্যবস্থা নেয়নি। শিশুদের এই অকাল মৃত্যুর দায় সরকারকে নিতে হবে এবং বর্তমান সরকারের কাছে আমরা এর বিচার দাবি করছি।
কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে কয়েকজন আইনজীবী চোখে ও মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতীকী প্রতিবাদ জানান। এ সময় আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী বলেন, ‘চার শতাধিক শিশুর মৃত্যু কেবল গাফিলতি নয়, এটি একটি অপরাধ।’

শাহজাদপুরে শাশুড়ির পরকীয়া দেখে ফেলায় পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগ
- শাহ আলম, নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:২৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল কাদের জানান, লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। লাশের গলার দাগ দেখে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটা আত্মহত্যা নয়। তবে ময়না তদন্তের পর প্রকৃত কারন জানা যাবে।

উল্লাপাড়ায় চলতি মৌসুমে ধান-চাল সংগ্রহের উদ্বোধন
- উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:১৫:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


শাহজাদপুরে দুই কৃষকের জমির আধা পাকা ধান লুটের অভিযোগ
- শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:০৭:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ জানান, ‘আমার জমি আমি ভোগদখল করে আসছি। আমার ধান আমিই কেটে নিয়েছি।’
শাহজাদপুর থানার ওসি (তদন্ত) নাজমুল নাদের জানান, এ বিষয়ে এখনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে ক্ষোভ ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের
গরুর হাটে চুরি, ক্রেতার পকেট থেকে উধাও এক লাখ টাকা
- রাণীনগর( নওগাঁ) প্রতিনিধি । জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:৫৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


১নং তালম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান সম্পদ
- তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:৫৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

রাতভর ভারি বৃষ্টিতে থমকে গেছে জনজীবন, সূর্যের দেখা মিললো দুপুরে
- মোঃ কাজল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০৫:৩৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

রাণীনগরে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, কৃষি ও পুষ্টি উদ্যোক্তা উন্নয়নে নতুন অঙ্গীকার
- রানীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

বগুড়ায় ৫ দফা দাবিতে বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১২:০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসন আমলকে ‘বিড়ি শিল্পের স্বর্ণযুগ’ মনে করতেন শ্রমিকরা। জিয়াউর রহমান স্পষ্টভাবে বলতেন, “বিড়ি হলো গরিব মানুষের সিগারেট। যারা দিনমজুর বা রিকশাচালক, তাদের বিনোদনের উপায় খুব সীমিত। তাই বিড়ির ওপর ট্যাক্স বাড়িয়ে তাদের ওপর চাপ বাড়ানো যাবে না। সেই সময়ের মতো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমলে আসন্ন বাজেটে বিড়ি শিল্পের উপর শুল্ক বৃদ্ধি না করার দাবি জানিয়েছেন বগুড়া জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন।
বুধবার (১৩ মে) বেলা ১১টায় বগুড়া কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসের সামনে পাঁচ দফা দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানান তারা।

শ্রমিকদের দাবি সমূহ- বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করা, বিড়ি শ্রমিকদের কর্ম দিবস বৃদ্ধি করা, নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি করা, বিড়ি ফ্যাক্টরির লাইসেন্স থাকলেই ব্যান্ডরোল উত্তোলন বাধ্যতামূলক করা এবং নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ করা।
মানববন্ধন শেষে বগুড়া কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনারের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিড়ি একটি দেশীয় শ্রমনির্ভর শিল্প, যার ওপর নির্ভর করে সারাদেশের প্রায় ১৮ লাখ শ্রমিকের জীবন জীবিকা। তবে নীতিগত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানির ষড়যন্ত্রের কারণে এ শিল্প সংকটে পড়েছে। প্রকৃত রাজস্ব প্রদানকারী বিড়ি মালিকরা অসংখ্য কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে। সুতরাং বিড়ি শিল্প ও শ্রমিকদের কর্মরক্ষার্থে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ি শিল্পের উপর শুল্ক বৃদ্ধি না করার অনুরোধ করছি। একইসাথে বিড়ি শ্রমিকদের কর্মদিবস বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমানে দেশের তামাক বাজারের ৮০ শতাংশ নিম্নস্তরের সিগারেট দখল করে আছে। এতে বিড়ি শিল্প টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই বিড়ি শিল্প রক্ষায় নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি। নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রিকে শিল্পের জন্য বড় হুমকি উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে এবং বৈধ উৎপাদকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ অবস্থায় নকল বিড়ির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। এছাড়াও বিড়ি ফ্যাক্টরির লাইসেন্স থাকলেই ব্যান্ডরোল উত্তোলন বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হারিক হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, লুৎফর রহমান, আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল গফুর, সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত লাভলু, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম ইসলাম, শ্রমিক নেতা সোহেল রানা প্রমূখ।

এ সময় শ্রমিকদের হাতে বিভিন্ন দাবি-সংবলিত ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড দেখা যায়, যেখানে দেশীয় শিল্প রক্ষা, বহুজাতিক কোম্পানির প্রভাব প্রতিহত করা এবং বিড়ি শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

মারা গেছেন সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১১:৫৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বুধবার (১৩ মে) সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮৩ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। কয়েক দিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অক্টোবর মাসে তিনি গ্রেপ্তার হন। ২০২৫ সালের আগস্টে অসুস্থ হয়ে পড়লে পিজি হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং পরবর্তীকালে জামিনে মুক্ত হন। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
তিনি দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন। চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের ছেলে সাবেদুর রহমান সুমু বাংলানিউজকে বলেন, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাদ আসর মিরসরাই উপজেলার মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম শহরে কোনো জানাজা অনুষ্ঠিত হবে না। ঢাকায় একটি জানাজা হবে, তবে সেটির স্থান ও সময় এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।
ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারি মীরসরাই উপজেলার ধুম ইউনিয়নের একটি ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম এস রহমান তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য। মা পাঞ্জেবুনেছা। পড়াশোনায় বরাবরই মেধাবী ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। ১৯৬৬ সালে তিনি লাহোর থেকে খনিজ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। সাহসিকতার জন্য লাহোরে বাঙালি ছাত্রদের মধ্যে তুমুল জনপ্রিয় মোশাররফ ১৯৬৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি নির্বাচিত হন। সেখানে পড়াশোনাকালে ১৯৬৬ সালে লাহোরে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রদের নিয়ে মোশাররফ হোসেন ছয় দফা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৭০-এর নির্বাচনে মীরসরাই আসন থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধকালীন চট্টগ্রামের সাব-সেক্টর কমান্ডার হিসেবে তিনি গেরিলাযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। মুক্তিযুদ্ধে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বপরূপ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে বাংলাদেশ সরকার ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না নিলে ভয়াবহ হতে পারে পরিস্থিতি
হাম পরিস্থিতির মাঝেই চোখ রাঙাচ্ছে ডিপথেরিয়া
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১১:৫৩:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
দেশে হামের ব্যাপক সংক্রমণের মধ্যেই নতুন উদ্বেগ হিসেবে দেখা দিয়েছে আরেক প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগ ডিপথেরিয়া। প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া এ রোগ এখন আবার দেশের বিভিন্ন এলাকায় শনাক্ত হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচির দুর্বলতা, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা এবং শিশুদের কমে যাওয়া রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে পরিস্থিতি বিপজ্জনক দিকে যাচ্ছে।
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সিলেট, হবিগঞ্জ, কামরাঙ্গীরচর, কিশোরগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডিপথেরিয়ায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। রাজধানীর একাধিক হাসপাতালেও এ রোগে আক্রান্তদের অনেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। এরই মধ্যে এ রোগে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, চলমান হাম পরিস্থিতির মধ্যে ডিপথেরিয়ার বিস্তার শুরু হলে শিশুস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নতুন সংকট তৈরি হতে পারে। তাই সে ধরনের পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয়, সেই লক্ষ্যে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।
সংক্রমণের শুরু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে: ডিপথেরিয়ার বড় প্রাদুর্ভাব প্রথম দেখা যায় ২০১৭ সালে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। ওই বছরের ৩ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেখানে ১৫ জনের মৃত্যুসহ ৮০৪ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ১০ নভেম্বর, মেদসাঁ সঁ ফ্রঁতিয়ের (এমএসএফ) একটি ক্লিনিকে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, আক্রান্তদের ৭৩ শতাংশের বয়স ছিল ১৫ বছরের নিচে এবং এর ৬০ শতাংশই নারী। মারা যাওয়া ১৫ জনের মধ্যে ১৪ জনই ছিল শিশু। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তখনই সতর্ক করেছিল, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঘনবসতি,অপুষ্টি ও কম টিকা গ্রহণ পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীতেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকির কথা বলা হয়েছিল।
সতর্কতার পরও কার্যকর প্রস্তুতি হয়নি: জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর আগাম সতর্কতা সত্ত্বেও দেশে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধমূলক পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি।
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সার্ভিল্যান্স তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সিলেট ও হবিগঞ্জে, ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে (আইডিএইচ) এবং ২৫ মার্চ কামরাঙ্গীরচরে ডিপথেরিয়া রোগী শনাক্ত হয়। এ ছাড়া ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট ও ২৪ সেপ্টেম্বর আইডিএইচে, ২৬ আগস্ট তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতালে এবং ৮ ডিসেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী শনাক্ত হয়। ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নেওয়া রোগীটি কিশোরগঞ্জ থেকে সংক্রমিত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০২৪ সালের আগস্টে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালেও ডিপথেরিয়ার রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি সংক্রমণের নীরব বিস্তারের ইঙ্গিত। সরকার যদি এ সময়ে নীরব থাকে, তাহলে মারাত্মক সংক্রামক এ রোগ ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে, যা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ড. মুশতাক হোসেন বলেন, মূলত রোহিঙ্গা জনবসতিতে প্রথম ডিপথেরিয়া শনাক্ত হয়। পরে দেশের বিভিন্ন জেলায় রোগী পাওয়া গেছে। কয়েকজনের মৃত্যুর তথ্যও রয়েছে। হাম-পরবর্তী সময়ে শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ডিপথেরিয়া ছড়িয়ে পড়লে দেশে করুণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি বলেন, জরুরি ভিত্তিতে ডিপথেরিয়া টিকার বুস্টার ডোজ চালু করতে হবে। ৬ থেকে ৮ বছর বয়সী শিশুদের লক্ষ করে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিশেষ ক্যাম্পেইন চালানো গেলে দ্রুত ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।
কী এই ডিপথেরিয়া: ডিপথেরিয়া বা করিনেব্যাকটেরিয়াম ডিপথেরিয়া হলো একটি গ্রাম-পজিটিভ, মুগুর-আকৃতির ব্যাকটেরিয়া. যা জীবনঘাতী সংক্রামক রোগ ডিপথেরিয়ার জন্য দায়ী। এটি অত্যন্ত সংক্রামক ও গুরুতর রোগ, যা গলা, নাক ও শ্বাসতন্ত্রকে আক্রান্ত করে। এটি টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ তৈরির মাধ্যমে গলায় একটি পুরু ধূসর আস্তরণ সৃষ্টি করে, যার ফলে শ্বাসকষ্ট, গিলতে সমস্যা এবং হার্ট বা স্নায়ুর ক্ষতি হতে পারে। এটি মূলত হাঁচি-কাশির ড্রপলেটের মাধ্যমে ছড়ায় এবং এর সর্বোত্তম প্রতিরোধ ব্যবস্থা হলো টিকাদান। ঐতিহাসিকভাবে ‘শিশুদের শ্বাসরোধকারী দেবদূত’ নামে পরিচিত এ ব্যাকটেরিয়া প্রধানত ঊর্ধ্ব শ্বাসনালিকে সংক্রমিত করে, তবে এটি ত্বকের ক্ষতও (কিউটেনিয়াস ডিপথেরিয়া) সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান, ডিপথেরিয়ার প্রধান লক্ষণ হলো গলা ব্যথা, জ্বর, ঘাড়ের গ্রন্থি ফুলে যাওয়া এবং গলায় ঘন ধূসর পর্দা বা আস্তরণ পড়া। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা ব্যবহৃত জিনিসপত্র (তোয়ালে, খেলনা) থেকে এবং সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে এ জীবাণু ছড়ায়। শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির অধীনে ডিপিটি ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা প্রদান এবং হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখার মাধ্যমে এ রোগের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। টিকা না নেওয়া শিশু, জনাকীর্ণ স্থানে বসবাসকারী এবং অপুষ্টিতে ভোগা ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ডিপথেরিয়ার ঝুঁকিতে থাকেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ: ডিপথেরিয়া নিয়ন্ত্রণে দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ, ডিপথেরিয়া অ্যান্টিটক্সিন, অ্যান্টিবায়োটিক এবং জরুরি টিকাদান কর্মসূচির ওপর জোর দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংস্থাটি বিশেষভাবে ছোট শিশু, স্বাস্থ্যকর্মী এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা মানুষকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার সুপারিশ করেছে।
এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, ডিপথেরিয়ার একটি ভয়াবহ সংক্রামক রোগ। আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ডিপথেরিয়া অ্যান্টিটক্সিন সেরাম এবং বেনজাইল পেনিসিলিনের মতো ওষুধগুলো এখন বিরল। ফলে হাসপাতালে ডিপথেরিয়া রোগী এলে তাদের সুস্থতা দান করা কঠিন হয়ে পড়বে। তা ছাড়া হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের চাপে হামের রোগীদের জায়গা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এমন সময় ডিপথেরিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে চিকিৎসার ক্ষেত্রে জটিলতার সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, এখনই সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে হামের পর বাংলাদেশ নতুন আরেকটি সংক্রামক সংকটের মুখোমুখি হতে পারে।
যা বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: সামগ্রিক বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ডিপথেরিয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত, করণীয় নিয়ে আমরা ভাবছি।
সুত্র: “দৈনিক কালবেলা”

স্কুলের সেফটি ট্যাংকের দুর্গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত
- রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ১১:৩৬:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

রায়গঞ্জে মহাসড়কের পাশে অবৈধ পাথর ডিপো, বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা
- রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ১১:২৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

উল্লাপাড়ায় পুকুর খননের সময় উদ্ধার কষ্টিপাথরের প্রাচীন দুর্গা মূর্তি
- উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ১১:২৪:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

ঈদ উপলক্ষে ২৩ মে’র ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ১১:১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বুধবার (১৩ মে) থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। অবৈধ টিকিট বিক্রি রোধে শতভাগ আসনের টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে।
বুধবার (১৩) সকাল ৮টায় বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর আসনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। আর দুপুর ২টায় পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর আসনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে।
রেলওয়ে জানিয়েছে, যাত্রীরা শুধু বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন ওয়েবসাইট এবং ‘রেল সেবা’ অ্যাপ ব্যবহার করে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
ঈদ উপলক্ষে রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা থেকে জানা গেছে, ঈদের আগে পাঁচ দিনের ট্রেনের আসনের টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় অগ্রিম বিক্রি করা হবে। আন্তঃনগর ট্রেনের ২৪ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৪ মে, ২৫ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৫ মে, ২৬ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৬ মে এবং ২৭ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৭ মে।
রেলওয়ের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার টিকিট কিনতে পারবেন এবং প্রতি ক্ষেত্রে সর্বাধিক চারটি টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। ঈদ অগ্রিম যাত্রার টিকিট রিফান্ড করা যাবে না।
যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।
এদিকে, ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রি করা হবে।

সাদিক কায়েমের বিয়ের দাওয়াত পেলেন স্পিকার
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৯:২২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। এসময় তিনি স্পিকারকে তার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে সাদিক কায়েমের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।
ওই পোস্টে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।
এসময় তিনি স্পিকারকে তার বিয়ের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। স্পিকার জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য শুভকামনা ও দোয়া জানিয়েছেন। পাশাপাশি ডাকসুর বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। আগামীর বাংলাদেশের রোল মডেলে উন্নীত হোক ডাকসু এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সোনাইমুড়ীতে ইয়াবাসহ তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি আটক
- মো. ইসমাইল হোসেন নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৮:৫৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ এক তালিকাভুক্ত মাদক কারবারিকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) নোয়াখালী জেলা কার্যালয়।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সোনাইমুড়ী থানাধীন জয়াগ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের যোগিখিল পাড়া উলুপাড়ায় আব্দুর রহমান ঠিকাদার বাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে যোগিখিল পাড়ার বাসিন্দা ছালে আহম্মেদ প্রকাশ খোকন (৪২)-এর নিজ বসতঘরে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৫২ পিস মিথাইল অ্যাম্ফিটামিনযুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট, মাদক বিক্রির ১ হাজার ৭০০ টাকা নগদ অর্থ এবং মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত একটি সিমযুক্ত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
আটক ছালে আহম্মেদ প্রকাশ খোকন উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের যোগিখিল পাড়া এলাকার মৃত আজিজুল হকের ছেলে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ জানান, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

হাম আক্রান্ত শিশুদের কাতরতার মাঝে হাসপাতালের নিচে নার্সদের নাচ
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৮:১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষে সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নার্সদের নাচ-গান ও আনন্দ-উল্লাস ঘিরে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা চলাকালে উচ্চ শব্দে ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে নাচানাচি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগীর স্বজন ও সচেতন নাগরিকরা।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস উপলক্ষে হাসপাতালের নার্সরা একটি শোভাযাত্রা বের করেন। শোভাযাত্রার আগে হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে ব্যান্ড পার্টির বাদ্যযন্ত্রের তালে ধামাইল গানের সঙ্গে নাচতে দেখা যায় নার্সদের। এ সময় হাসপাতালের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঠিক ওই সময় হাসপাতালের ষষ্ঠ তলায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত প্রায় ৮৫ জন শিশু চিকিৎসাধীন ছিল। শিশুদের কান্না ও যন্ত্রণার মধ্যেই নিচতলায় উচ্চ শব্দে গান-বাজনা চলতে থাকে। পরে নার্সদের নাচের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে সেবার মান নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ রয়েছে। এক অভিভাবক বলেন, আমার সন্তান হামে আক্রান্ত হয়ে ছটফট করছে। হাসপাতাল থেকে কোনো ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না, সব বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। ইনজেকশন দেওয়ার জন্য ডাকলে নার্সরা রোগীর কাছে না এসে উল্টো রোগীকে তাদের কাছে নিয়ে যেতে বলেন।
সুনামগঞ্জ ইয়ুথ পিস অ্যাম্বাসেডর গ্রুপের সদস্য শবনমদোজা জ্যোতি বলেন, নার্স দিবস পালন করার অধিকার তাদের আছে। তবে হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল জায়গায় উচ্চ শব্দে ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে নাচানাচি কোনোভাবেই কাম্য নয়। এতে রোগীদের চিকিৎসা ও বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটে।
সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদ বলেন, সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। আজকের এই আয়োজন জবাবদিহিতার অভাবেরই একটি উদাহরণ। হাসপাতালের ভেতরে এমন আনন্দ-উল্লাস মানবিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, নার্স দিবসে আনন্দ উপভোগ করা দোষের কিছু নয়। তবে সময়, পরিবেশ ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে এসব আয়োজন করা উচিত ছিল।

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 














































2 thoughts on “নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকেছে পাহাড়ি ঢলে”